বাঙালির কাছে এক গর্বের দিন, রাষ্ট্রসংঘে সম্মানিত কন্যাশ্রী

Share This
Tags

আজ থেকে ৪ বছর আগে পথ চলা শুরু হয় “কন্যাশ্রী”র। রাজ্যের কন্যাদের স্বনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালু করেছিলেন কন্যাশ্রী প্রকল্প। রাজ্যের কন্যাসন্তানদের অধিকার রক্ষাই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। বাল্য বিবাহ রোখা, ড্রপ আউট আটকানো, নারীশিক্ষার অধিকার প্রভৃতি ক্ষেত্রে দুর্দান্ত সাফল্য পেয়েছে কন্যাশ্রী।  “কন্যাশ্রী”র সাফল্য বারবারই বিভিন্ন সভায় তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী । গোটা দেশের মধ্যে রাজ্যের এই প্রকল্প যে আলাদা মাত্রা বহন করে, তা তিনি বারবার বলেছেন।কিন্তু এবার আর তা শুধু তাঁর নিজের মুখের কথা হয়ে থাকল না।  শুধু দেশের গণ্ডির মধ্যেও সীমাবদ্ধ থাকল না কন্যাশ্রীর সাফল্য। রাষ্ট্রসংঘের জন পরিষেবায় প্রথম স্থান জিতে নিল বাংলার “কন্যাশ্রী প্রকল্প”। মোট ৬৩টি দেশের ৫৫২টি প্রকল্প ছিল দৌড়ে। সবাইকে পিছনে ফেলে দিয়ে রাষ্ট্রসংঘের পাবলিক সার্ভিস ফোরামের মঞ্চে শিরোপা উঠল বাংলার মাথাতেই।

 রাষ্ট্রসংঘের এই পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডের যোগ্যতম দাবিদার হিসেবে তুল্যমূল্য বিচারের সময় জোর দেওয়া হয় তিনটি বিষয়ের উপর। প্রান্তিক মানুষের উন্নয়ন, সার্বিক উন্নয়ন ও উন্নয়নে স্বচ্ছতা। যার প্রতিটি ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে কন্যাশ্রী।

এদিন রাষ্ট্রসংঘের এক অনুষ্ঠানে কন্যাশ্রীর সাফল্যের কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। যেভাবে গরিবদের সাহায্যে সরকার এগিয়ে এসেছে তা জানান গোটা বিশ্বকে। রাজ্যের মেয়েদের স্বনির্ভর করে তুলতে, নিজের পায়ে দাঁড়াতে যেভাবে কন্যাশ্রীর সাহায্য এগিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা মুগ্ধ করে রাষ্ট্রসংঘের তাবড় কর্তাব্যক্তিদেরও।

বাংলার মানুষকেই এই সম্মান উৎসর্গ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। জানিয়েছেন, এই সম্মান বাংলার মা-মাটি-মানুষের। সত্যিই যে বাঙালির কাছে এ এক গর্বের দিন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

 

About the Author