Published On: মঙ্গল, অক্টো. 15th, 2019

ডাঃ আবুল পাকির জয়িনুল-আবেদিন আব্দুল কালামজীকে তাঁর জন্ম বার্ষিকীতে ভারতীয় বাংলা কাগজের পক্ষ থেকে আন্তরিক শ্রদ্ধা

Share This
Tags

১৫ অক্টোবর ১৯৩১  সালের আজকের দিনেয় জন্ম ভারতের এই মাহান মানুষের। ওনার জন্ম বর্তমান ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের রামেশ্বরমে।  তিনি ছিলেন ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের একাদশ রাষ্ট্রপতি (২০০২ – ২০০৭)। কালাম স্যার তার কর্মজীবন শুরু করেছিলেন একজন বিজ্ঞানী হিসেবে। পরে তিনি ঘটনাচক্রে গণপ্রজাতন্ত্রী ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তিনি পদার্থবিদ্যা বিষয়ে সেন্ট জোসেফ’স কলেজ থেকে এবং বিমান প্রযুক্তিবিদ্যা (এরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং) বিষয় নিয়ে মাদ্রাজ ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি (এম আই টি) থেকে পড়াশোনা করেছিলেন। এরপর চল্লিশ বছর তিনি প্রধানত রক্ষা অনুসন্ধান ও বিকাশ সংগঠন (ডিআরডিও) ও ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থায় (ইসরো) বিজ্ঞানী ও বিজ্ঞান প্রশাসক হিসেবে কাজ করেন। ভারতের অসামরিক মহাকাশ কর্মসূচি ও সামরিক সুসংহত নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচির সঙ্গে তিনি অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত ছিলেন। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও মহাকাশযানবাহী রকেট উন্নয়নের কাজে তার অবদানের জন্য তাকে ‘ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র মানব’ বা ‘মিসাইল ম্যান অফ ইন্ডিয়া’ বলা হয়। ১৯৯৮ সালে পোখরান-২ পরমাণু বোমা পরীক্ষায় তিনি প্রধান সাংগঠনিক, প্রযুক্তিগত ও রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করেন। এটি ছিল ১৯৭৪ সালে স্মাইলিং বুদ্ধ নামে পরিচিত প্রথম পরমাণু বোমা পরীক্ষার পর দ্বিতীয় পরমাণু বোমা পরীক্ষা।

২০০২ সালে কালাম তৎকালীন শাসকদল ভারতীয় জনতা পার্টি ও বিরোধী দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সমর্থনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। পাঁচ বছর এই পদে আসীন থাকার পর তিনি শিক্ষাবিদ, লেখক ও জনসেবকের সাধারণ জীবন বেছে নেন। ভারতের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্নসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সম্মান ও পুরস্কার পেয়েছিলেন কালাম। ২০১০ সালে, জাতিসংঘ ১৫ ই অক্টোবরকে বিশ্ব ছাত্র দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ডঃ কালাম শিক্ষার প্রতি অত্যন্ত নিবেদিত ছিলেন এবং তিনি সর্বদা নিজেকে প্রথমে একজন শিক্ষক হিসাবে উল্লেখ করেছিলেন।

“ডাঃ এপিজে আবদুল কালামজীর তাঁর বার্ষিকীতে আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা। তিনি একবিংশ শতাব্দীর ভারতের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যা সক্ষম ছিল এবং তারপরে এই লক্ষ্যে তার ব্যতিক্রমী অবদান রয়েছে। তাঁর আদর্শ জীবন দেশের মানুষকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে। ভারতের মিসাইল ম্যান  ডঃ এপিজে আবদুল কালামজিকে তাঁর জন্ম জয়ন্তীতে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে “মোদীর টুইট।  

প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ২৭ শে জুলাই, ২০১৫ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট শিলংয়ে বক্তৃতা দেওয়ার সময় তিনি মারা যান। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভাদেকেক কালামকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে নাগরিকদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে ছাত্রদের প্রতি তাঁর চরম ভালবাসা এবং উত্সর্গের কারণেই প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির জন্মদিন বিশ্ব ছাত্র দিবস হিসাবে পালিত হয়েছিল।

“ভারতবর্ষের সর্বাধিক জনপ্রিয় রাষ্ট্রপতি ডাঃ এপিজে আবদুল কালামের জন্মদিন – তিনি বিশ্ব ছাত্র দিবস হিসাবে উদযাপিত হয়েছিল। তিনি একজন সত্যিকারের শিক্ষক ছিলেন এবং শিক্ষার্থীদের ভালোবাসতেন এবং এমনকি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট শিলংয়ে বক্তৃতা দেওয়ার সময় মারা গিয়েছিলেন। আমার শ্রদ্ধা নিবেদন ভারতরত্ন আবদুল কালাম স্যার”

About the Author