কবজি ডুবিয়ে খাওয়ার মধ্যেই যেন আনন্দ ‘আহারে বাংলা‘য়

Share This
Tags

কলকাতা: “খাই খাই করো কেন, এস বোস আহারে…“। সেই কবে সুকুমার রায় লিখেছিলেন। আহারে বাংলার ক্যাপসন এর থেকে ভাল খুঁজে পাওয়া এক কথায় দুষ্কর। চতুর্থ দিনেও খাদ্য উৎসবের মাঠে মানুষের কবজি ডুবিয়ে খাওয়ার মধ্য দিয়ে যেন সেই প্রতিধ্বনি।

দেশি-বিদেশি খানার এত সম্ভার দেখে অনেকেই সাফ জানালেন, ফের একদিন আসতে হবে। সুতরাং একদিনে সব খাওয়া চেখে দেখা সম্ভব নয়। আর সুযোগও হাতছাড়া করতে নারাজ প্রায় সকলেই।

শুক্রবার মেলা শুরুর সময় থেকেই প্যাভিলিয়ন এবং স্টলগুলিতে কার্যত মানুষের ঢল নেমে যায়। এমনকী কলেজ পড়ুয়ারাও এসেছে দল বেঁধে। তবে প্রায় সকলের মুখেই ঘুরছে প্রচলিত খাওয়ার বাইরের খাওয়ারের কথা। অধিকাংশই চেখে দেখেছেন চিকেন ডাকবাংলো, কোয়েলের তন্দুরী, হাঁসের মাংস। বাদ যায়নি মিষ্টিও। কেউ শুরুতেই মিষ্টির স্টলে ঢুঁ মেরেছেন তো কেউ শেষ পাতে খেলেন বর্ধমানের সীতাভোগ, মিহিদানা বা শক্তিগড়ের ল্যাংচা। এর সঙ্গেই কার্যত উপরি পাওনা কলকাতার নামি রেস্তোরাঁ বা কফি শপের খাওয়ারের অর্ধেক মূল্য। সুতরাং সে সুযোগ যে কেউ হাতছাড়া করবেন না তা বোঝা গেল আলিবাবা’র স্টলে গিয়েই।

মেলায় রয়েছে জাপানি চিকেন এবং মটন কাটলেটও। যাকে জাপানি স্ট্রিট ফুড হিসেবেই বলছেন স্টলের দায়িত্বে থাকা কর্মীরা। আহারে বাংলায় রয়েছে কাশ্মীরী খাওয়ারের সম্ভারও। সরাসরি কাশ্মীর থেকে চা এবং শুকনো খাওয়ারের পসার নিয়ে সাজিয়ে বসেছেন তাঁরা। বর্তমান কাশ্মীরের অবস্থা নিয়ে অবশ্য মুখ খুলতে চাননি তাঁরা। কিন্তু উপত্যকার অবস্থা যে খুব একটা ভাল নয় তা বিক্রেতাদের মুখ দেখেই বোঝা যায়। এর মাঝেও কলকাতাবাসীকে কাশ্মীরে যাওয়ার আমন্ত্রণও জানাতে ভুললেন না।

About the Author