করোনা ভাইরাস লক্ষণ ও পরামর্শ

Share This
Tags

করোনা ভাইরাস মানব শরীরে ঢোকার পর সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিতে প্রায় পাঁচ দিন লাগে। প্রথম লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। তার পর দেখা দেয় হাঁচি ও শুষ্ক কাশি। এক সপ্তাহের মধ্যে দেখা দেয় শ্বাসকষ্ট। ফুসফুসে সংক্রমণ যত বাড়ে শ্বাসকষ্টও ততই বাড়তে থাকে। অল্প অল্প বুকে ব্যথাও হতে পারে। তবে বুকের ব্যথার ধরন একেবারে আলাদা। গভীর বা লম্বা শ্বাস নেওয়ার সময়ে বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভূত হতে পারে। মূলত ফুসফুসে সংক্রমণজনিত প্রদাহের ফলে এই ব্যথা হয়। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল তাদের জ্বর না-ও থাকতে পারে। যেমন- যারা বৃদ্ধ, যারা ধূমপান করেন, যাদের ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত, যারা ফুসফুসে কোনো আঘাত পেয়েছেন, যাদের কেমোথেরাপি (ক্যান্সারের চিকিৎসা) অথবা অন্য কোনো ওষুধ খাওয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেছে।

লক্ষণ: করোনা ভাইরাস বিস্ফোরণ ঘটায় আচমকাই। শুরুটা হয় সর্দি-কাশি ও জ্বর দিয়ে। শ্বাসকষ্ট বাড়ে ধীরে ধীরে। কাবু করে নিউমোনিয়া। অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা দেয় সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম। ছড়িয়ে পড়ে গোটা শরীরে। পরিণামে অর্গ্যান ফেইলিওর বা দেহের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে (প্রথম কিডনি বিকল হয়) মৃত্যু হতে পারে।

চিকিৎসা : এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসের কোনো চিকিৎসা আবিষ্কৃত হয়নি। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে এ ভাইরাসের আক্রমণ থেকে অনেকটাই বাঁচা সম্ভব। সাবান ও পানি দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধোয়া। চোখ, নাক ও মুখ থেকে হাত সরিয়ে রাখা। যাদের মধ্যে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ দেখা গেছে তাদের খুব কাছাকাছি না যাওয়া। অসুস্থ জীবজন্তু থেকে দূরে থাকা। খামার, গোয়ালঘর কিংবা বাজারের মতো যেসব জায়গায় জন্তু রাখা থাকে সেসব জায়গা এড়িয়ে চলা। কোনো পশু স্পর্শ করার পর ভালোভাবে হাত ধোয়া। ক্ষুধা কিংবা যেসব বিষয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমাতে পারে সেগুলো এড়িয়ে চলা।

About the Author