লকদাউনের নিয়মকানুন

Share This
Tags

 প্রেস ইনফরমেশন  ব্যুরো

ভারত সরকার

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক

কোভিড-১৯ এর প্রতিরোধে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ভূমিকার পর্যালোচনা করলেন দপ্তরের মন্ত্রী শ্রী রাজনাথ সিং

সম্প্রতি ২৬ শে মার্চ নতুনদিল্লি কোভিড-১৯ এর মোকাবিলায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে দপ্তরের মন্ত্রী রাজনাথ সিং পর্যালোচনা বৈঠক করেন। কোভিড-১৯ এ সংক্রমিত দেশগুলি থেকে ভারতীয় এবং বিদেশীদের সরিয়ে নিয়ে আনার কাজে সেনাবাহিনী এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিভিন্ন দপ্তরের সক্রিয় ভূমিকার তিনি প্রশংসা করেন। সেনা বাহিনী এবং মন্ত্রকের অন্যান্য দপ্তরগুলিকে তিনি অসামরিক প্রশাসনকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেন।  

বৈঠকে আধিকারিকরা এপর্যন্ত গৃহীত নানা উদ্যোগ এবং সহায়তার বিষয়ে শ্রী সিং কে জানান। চীন জাপান ও ইরান থেকে বায়ুসেনা বিভিন্ন সময়ে আটকে থাকা ভারতীয়দের উদ্ধার করে নিয়ে এসেছে।

সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্র অর্থাৎ পৃথকভাবে নজরদারি কেন্দ্রে ১৪৬২ জনকে রাখা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৩৮৯জন ছাড়া পেয়েছেন। মানেসর, হিন্দন, জয়শলমীর, যোধপুর ও মুম্বাই-এ ১০৭৩ জন এখনো রয়েছেন। এছাড়া ৯৫০টি বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও)-র গবেষণাগারগুলি থেকে ২০হাজার লিটার স্যানিটাইজার উৎপাদন করা হয়েছে। সেগুলি বিভিন্ন সংস্থাকে দেওয়া হয়েছে। ডিআরডিও দিল্লি পুলিশকে ১০হাজার লিটার স্যানিটাইজার ও ১০হাজার মাস্ক সরবরাহ করেছে। বডি স্যুট এবং ভেন্টিলেটরের মত সামগ্রী তৈরিতে এই সংস্থা বেসরকারী কোম্পানীগুলির সঙ্গে কাজ করছে।  

অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি বোর্ডও স্যানিটাইজার, মাস্ক এবং বডি স্যুট তৈরি করছে। ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড ভেন্টিলেটর বানাচ্ছে।

সেনাবাহিনীর চিকিৎসক দলগুলি মালদ্বীপে সহায়তা করে ফিরে  এসেছে। এই দলগুলি ছাড়াও নৌবাহিনীর দুটি জাহাজ প্রতিবেশী বন্ধুরাষ্ট্রগুলিকে প্রয়োজনে সহায়তাদানের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

বৈঠকে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত,   প্রতিরক্ষা সচিব ডঃ অজয় কুমার, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল করমবীর সিং, বায়ুসেনার প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আর কে এস ভাদৌরিয়া, সেনাবাহিনীর প্রধান এম এম নারাভানে প্রতিরক্ষা উৎপাদন সচিব শ্রী রাজ কুমার সহ পদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো

ভারত সরকার

কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক

ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সামাজিক দূরত্ব পালন করে অনলাইন পাঠ গ্রহনের মাধ্যমে সময়ের সদ্বব্যবহার করার অনুরোধ জানিয়েছে

সম্প্রতি ২৫ শে মার্চ ২০২০  ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন এক চিঠিতে  শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উদ্দেশ্য করে বলেছে যে আমরা যেমন যৌথভাবে প্রতিরোধ ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং আমাদের বাড়ী / ছাত্রাবাসে থাকাকালীন যৌথভাবে কোভিড ১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াই করছি, তখন এই সময়টিকেই আমরা অনলাইন লার্নিং এর মাধ্যমে উৎপাদনশীলভাবে কাজে লাগাতে পারি। এমএইচআরডি, ইউজিসি এবং এর আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় (আইইউসি) – তথ্য ও গ্রন্থাগার নেটওয়ার্ক (আইএনএফআইবিএনইটি) এবং শিক্ষামূলক যোগাযোগের জন্য কনসোর্টিয়াম (সিইসি) এর বেশ কয়েকটি আইসিটি উদ্যোগ রয়েছে, যা শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা ব্যবহার করতে পারে এবং বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজগুলির গবেষকরা তাদের শিক্ষার ব্যপ্তিকে আরও প্রশস্ত করতে পারে। নীচে কিছু আইসিটি উদ্যোগের তালিকা দেওয়া হয়েছে: 

১. স্বয়ম অন লাইন কোর্স: এখন যে কোনও শিক্ষার্থী বিনা ব্যয়ে কোন রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই https://storage.googleapis.com/uniquecourses/online.html এই লিঙ্কটির মাধ্যমে সেরা টিচিং লার্নিং রিসোর্স গুলি ব্যবহার করতে পারে। ২০২০ জানুয়ারী সেমিস্টারে স্বয়ম (swayam.gov.in)এ রেজিস্টার্ড শিক্ষার্থীরা যথারীতি তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে। 

২. ইউজি / পিজিএমওওসিএস: http://ugcmoocs.inflibnet.ac.in/ugcmoocs/moocs_courses.php এ স্বয়ম আন্ডার গ্রাজুয়েট এবং পোস্ট গ্রাজুয়েট (নন-টেকনোলজি) কোর্সগুলির লার্নিং মেটেরিয়াল পাওয়া যায়। 

৩. ই-পিজি পাঠশালায় epgp.inflibnet.ac.in সামাজিক বিজ্ঞান, চারুকলা, প্রাকৃতিক এবং গাণিতিক বিজ্ঞান এবং হিউম্যানিটিজের স্নাতকোত্তর ৭০ টি বিভাগে ২৩,০০০ মডিউল (ই-টেক্সট এবং ভিডিও) সহ উচ্চমানের, পাঠ্যক্রম ভিত্তিক, ইন্টারেক্টিভ ই-বিষয়বস্তু পাওয়া যাবে।  

৪. ইউজির বিষয়ে ই-কনটেন্ট কোর্সওয়্যার: ৮৭ স্নাতক কোর্সে প্রায় ২৪,১১০ ই-সামগ্রী মডিউল সহ স্নাতক কোর্সওয়্যার সিইসি ওয়েবসাইটে http://cec.nic.in/ এ পাওয়া যাবে।

৫. স্বয়মপ্রভা: https://www.swayamprabha.gov.in/ ৩২ টি ডিটিএইচ চ্যানেলগুলির একটি গ্রুপ যা বিভিন্ন মানের শাখা যেমন কলা, বিজ্ঞান, বাণিজ্য, পারফর্মিং আর্টস, সামাজিক বিজ্ঞান শিক্ষায় আগ্রহী দেশের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং নাগরিকদের জন্য ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রযুক্তি, আইন, ওষুধ, কৃষি এবং মানবিক বিষয়গুলি সহ উচ্চমানের শিক্ষামূলক পাঠ্যক্রম ভিত্তিক কোর্স প্রচারিত করে। এই চ্যানেলগুলি বিনা মূল্যে আপনার কেবল অপারেটরের মাধ্যমে পেতে পারেন।। প্রচারিত ভিডিও / বক্তৃতাগুলি স্বয়মপ্রভা পোর্টালে আর্কাইভ করা ভিডিও হিসাবেও রয়েছে।   

৬. সিইসি-ইউজিসির ইউটিউব চ্যানেল: https://www.youtube.com/user/cecedusat -এ বক্তৃতা ভিত্তিক শিক্ষাগত পাঠ্যক্রম সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়া যায়।

৭. জাতীয় ডিজিটাল লাইব্রেরি: https://ndl.iitkgp.ac.in/ বিভিন্ন আকারে একাডেমিক সামগ্রীর বিস্তৃত একটি ডিজিটাল সংগ্রহশালা যা সকল একাডেমিক স্তরের শীর্ষস্থানীয় ভারতীয় ভাষার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী, বিশেষভাবে সক্ষম শিক্ষার্থীদের সহায়তা প্রদান করে। 

৮. শোধগঙ্গা: https://shodhganga.inflibnet.ac.in/ গবেষণা শিক্ষার্থীদের পিএইচডি জমা দেওয়ার জন্য ২,৬০,০০০ ভারতীয় বৈদ্যুতিন থিসিস এবং গবেষণাগুলির একটি ডিজিটাল রিপোজিটরি প্ল্যাটফর্ম। 

৯. ই-শোধ সিন্ধু https://ess.inflibnet.ac.in/ বর্তমান বিভিন্ন বিভাগে ১৫,০০০ এরও বেশি মূল এবং পর্যালোচিত জার্নাল এবং গ্রন্থপঞ্জি, উদ্ধৃতি মূলক তথ্য সংরক্ষণাগারের বিষয়বস্তু, কেন্দ্রীয় সাহায্যপ্রাপ্ত প্রযুক্তিগত প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজসমূহ কে সরবরাহ করে থাকে যেগুলি ইউজিসি আইনের ১২ (বি) এবং ২ (চ) বিভাগের আওতাভুক্ত রয়েছে। এছাড়াও প্রচুর সংখ্যক প্রকাশক এবং সংশ্লেষক এর সদস্য। 

১০.বিদ্বান: https://vidwan.inflibnet.ac.in/ বিশেষজ্ঞদের একটি তথ্যভান্ডার যা দেশে সমবয়সী, সম্ভাব্য সহযোগী, তহবিল সংস্থার নীতি নির্ধারক এবং গবেষণা বিশেষজ্ঞদের তথ্য সরবরাহ করে। সদস্যদের বিদ্বান পোর্টালে রেজিস্ট্রেশনের জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

এই আইসিটি কোর্সগুলি, বিশেষজ্ঞদের দ্বারা প্রস্তুত করা হয়েছে, আশা করা যায়, এর মাধ্যমে সবাই একটি চমৎকার শিক্ষার অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করবে।

বিষদ জানার জন্য ইউজিসি, ইনফ্লিবনেট এবং সিইসি যথাক্রমে eresource.ugc@gmail.comeresource.inflibnet@gmail.com এবং eresource.cec@gmail.com এ যোগাযোগ করা যেতে পারে।

প্রেস  ইনফরমেশন  ব্যুরো

ভারত   সরকার

রেল মন্ত্রক

দক্ষিণপূর্ব রেলের স্টেশন ও দপ্তরগুলিকে জীবাণুমুক্ত করার কাজ  

 সম্প্রতি ২৬ শে মার্চ ২০২০ কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ আটকাতে দক্ষিণপূর্ব রেল যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সব স্টেশন এবং দপ্তরগুলিকে জীবানুমুক্ত করার কাজ চালাচ্ছে। এদিকে  নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পরিবহণ বজায় রাখতে স্বল্প সংখ্যক কর্মী দিয়ে  রেল এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বুধবার বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য কয়লা সহ অন্যান্য পণ্যর জন্য দক্ষিণপূর্ব রেল ৯৩টি মালগাড়ির যাত্রা সূচনা করেছে। কর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে ।  

কোভিড-১৯ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে এই রেলের হাসপাতালগুলিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জরুরী পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে রেলে কর্মরতরা যেন হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং মাস্ক পান, তা নিশ্চিত করা হয়েছে। .

1.    পণ্যবাহী গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থাপনায় দক্ষিণপূর্ব রেলের আধিকারিকরা দিন রাত কাজ করে চলেছেন

2.    ডিসপ্লে প্যানেলে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচলের বিষয়টি দেখছেন একজন কর্মী 

3.    ডাক্তার, নার্স, প্যারা-মেডিক্যাল ও সাফাই কর্মীদের জন্য স্যানিটাইজার উৎপাদনরত মেডিক্যাল বিভাগের এক ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট. 

4.     দক্ষিণ পূর্ব রেলের স্টেশনগুলির জীবাণুমুক্ত করার কাজ চলছে  

প্রেস  ইনফরমেশন ব্যুরো

ভারত  সরকার

উপজাতি বিষয়ক দপ্তর

উপজাতি বিষয়ক মন্ত্রক  কোভিড-১৯ জনিত পরিস্থিতির মোকাবিলায় রাজ্যগুলিকে ইএমআরএস/ ইএমডিবিএস-এর ছুটির দিন পরিবর্তন করতে  বলেছে   

সম্প্রতি ২৬ শে মার্চ ২০২০ কেন্দ্রীয় উপজাতি বিষয়ক মন্ত্রকের অর্থানুকূল্যে চলা একলব্য মডেল রেসিডেনশিয়াল স্কুল (ইএমআরএস) ও একলব্য মডেল ডে বোর্ডিং স্কুল (ইএমডিবিএস )-গুলির ছুটির দিন পরিবর্তন করতে মন্ত্রক সব রাজ্যগুলির উপজাতি উন্নয়ন দপ্তরকে চিঠি দিয়েছে। দপ্তরগুলির প্রধান সচিব বা প্রধান সচিবের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের লেখা ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, সংক্রমণ এড়াতে বিভিন্ন জায়গায় স্থানীয় প্রশাসন যে সব নির্দেশ দিয়েছে সেগুলি পালন করতে হবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে নির্ধারিত পরীক্ষা অবশ্য শেষ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।  

মন্ত্রকের অর্থানুকূল্যে চলা ইএমআরএস এবং ইএমডিবিএসগুলির জন্য যে সব নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেগুলি হল

·         বিশেষ পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে গরমের ছুটি এগিয়ে ২১ মার্চ থেকে ২৫ মে মোট ৬৫ দিন  করতে হবে অথবা যেটি আগে হবে সেটি  সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গৃহীত হবে।   

·          এই সময় স্কুল ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের ঢোকা নিষিদ্ধ থাকবে।

·         যারা বোর্ডের পরীক্ষা দিচ্ছে এবং বিশেষ ক্লাসে যোগ দিচ্ছে ক্যাম্পাসে তাদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে। পরীক্ষা শেষ হলেই এইসব ছাত্রছাত্রীদের বাড়ি চলে যেতে হবে।

·         স্কুলের পড়াশোনার জায়গা, হোস্টেল সহ অন্যান্য জায়গায় জীবাণুমুক্ত করার বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে।  

এগুলি ছড়াও নিম্নলিখিত বিষয়গুলিও মেনে চলতে হবে :

১।  স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশ মানতে হবে

২। পরীক্ষার ফল ঘোষণার পর শিক্ষক শিক্ষিকারা ছুটি পেতে পারেন। ছাত্রছাত্রীদের ডাকযোগে এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।  

৩। নতুন সেশন শুরুর জন্য ক্যাম্পাসে প্রস্তুতিমূলক কাজকর্ম ছুটির সময় করতে হবে।  

৪। স্কুল খোলার আগে ষষ্ঠ শ্রেণীর ভর্তি এবং নবম ও একাদশ শ্রেণীর ভর্তির প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।

  • প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো
    ভারত সরকার
    খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রক


    খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রী বলেছেন কোভিড ১৯ লকডাউন চলাকালীন খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের সমস্যাগুলি সমাধান করার জন্য অভিযোগ নিষ্পত্তি সেল গঠন  করা হয়েছে
    খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রকের সচিব রাজ্যগুলিকে অত্যাবশ্যক পণ্যসামগ্রী উৎপাদন ও বন্টন অব্যাহত রাখার বিষয়ে চিঠি দিয়েছেন 

    সম্প্রতি ২৬ শে মার্চ ২০২০ কেন্দ্রীয় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রী শ্রীমতি হরসিমরাত কৌর বাদল বলেছেন কোভিড ১৯ লকডাউন চলাকালীন উৎপাদকরা যে সমস্ত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন তার দ্রুত সমাধানের জন্য অভিযোগ নিষ্পত্তি সেল গঠন করা হয়েছে। শ্রীমতি হরসিমরাত কৌর বাদল এক ট্যুইট বার্তায় আজ বলেছেন যে এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত সদস্যরা খাদ্য পণ্য উৎপাদন ও বন্টনে যে কোনও সমস্যার মুখোমুখি হলে তারা তাদের প্রশ্নগুলি covidgrievance-mofpi@gov.in এ পাঠাতে পারেন। তিনি আরও বলেন, সরকার কৃষি-খাদ্য ব্যবসায়ের ধারাবাহিকতা বজায় করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যার জন্য একটি ইমিউনিটি প্ল্যাটফর্ম www.investindia.gov.in/bip গড়ে তোলা হয়েছে যাতে ব্যবসায়ী এবং বিনিয়োগকারীদেরকে সহায়তা প্রদান করা যায়।

    এর আগে আজ, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রকের সচিব,(এমওএফপিআই),শ্রীমতি পুষ্পা সুব্রাহ্মণ্যম সমস্ত রাজ্যের মুখ্য সচিবকে খাদ্য উৎপাদক এবং বন্টনকারীরা  যাতে তাদের কার্যক্রম পরিচালনায় কোনরকম অসুবিধের সম্মুখীন না হন তার জন্য চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে অত্যাবশ্যক খাদ্য পণ্যগুলির তালিকা দেওয়া হয়েছে। সচিব বলেছেন যে এই খাদ্য পণ্যগুলির নিরবিচ্ছিন্ন উৎপাদন ও সরবরাহ বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেছেন জনগণের জন্য খাদ্য সরবরাহের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাঁচামাল, প্যাকেজিং উপকরণের সরবরাহ, বহনকারী ট্রাক চলাচল, গুদাম এবং হিমঘরের কাজ এবং কারখানায় ও গুদামগুলিতে শ্রমিকদের আসা এবং কাজ করার বিষয়টি নিশ্চিত করা দরকার। 

    খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রকের সচিব,(এমওএফপিআই) প্রধান সচিবকে জেলা শাসক, পুলিশ ও পরিবহন কর্মকর্তাদের খাদ্য পণ্য কারখানার সুষ্ঠু পরিচালনা, পণ্য ও কাঁচামাল পরিবহনের এবং শ্রমিকদের কোনও রকম সমস্যা ছাড়া কারখানায় যোগদানের বিষয়ে  নির্দেশ দেওয়ার কথা জানান।  এছাড়াও তিনি রাজ্য স্তরে একজন নোডাল অফিসার মনোনীত করার অনুরোধ করেছেন যার মাধ্যমে এমওএফপি এবং এই শিল্প ক্ষেত্রে সরবরাহ শৃঙ্খলা ব্যাহত হওয়ার ঘটনার কার্যকর সমাধান হতে পারে।
    চিঠিতে প্রস্তাবিত খাদ্য পণ্যগুলির তালিকাঃ
    খাদ্য সুরক্ষা এবং স্ট্যান্ডার্ডস অ্যাক্ট ২০০৬ অনুযায়ী ‘খাদ্য’ সংজ্ঞা কার্যকর হবে
    ১)      উৎপাদন ,পরিবহন, বিতরণ এবং খুচরা বিক্রয়ের জন্য :
           ফল ও সব্জ, চাল, ডাল, আটা ও অন্যান্য দানাশস্, চিনি, নুন ও মশলা, বেকারি এবং দুগ্ধ (দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য) চা ও কফি, ডিম, মাছ ও মাংস, দানাশস্য,তেল,মশলা ও খাদ্য উপাদান, প্যাকেটজাত খাদ্য ও পানীয়
    স্বাস্থ্য পরিপূরক, নিউট্রাসিউটিক্যালস, বিশেষ ডায়েটে ব্যবহারের জন্য খাদ্য (এফএসডিইউ) এবং বিশেষ চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত খাদ্য (এফএসএমপি)
    শিশু/বাচ্চাদের খাদ্য
    পশু খাদ্য / পোষ্য খাদ্য 
    •       ই-কমার্স এবং খাদ্য সরবরাহ সংস্থা গুলি উপরে উল্লিখিত পণ্যগুলির জন্য
    •       হিমঘর / খাদ্য পণ্যের গুদাম 
    •       জ্বালানী যেমন কয়লা, তুঁষ, ডিজেল / ফার্নেস অয়েল এবং অন্যান্য যা কল – কারখানার পরিচালনা / উৎপাদন নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয়। 
    •       প্রয়োজনীয় সমস্ত কাঁচামাল, মধ্যস্থতাকারী, প্যাকেজিং উপকরণ যা উপরের তালিকার পণ্যগুলির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
    উদাহরণস্বরূপ, প্যাকেজযুক্ত খাদ্য ও পানীয় শিল্পে প্রয়োজনীয় কাঁচামালগুলির তালিকা-
    প্যাকেটজাত খাদ্য ও পানীয়
    •       কনসেন্ট্রেটেড প্রোটিন; প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড; আয়োডিনযুক্ত লবণ; ক্যানোলা তেল; ভোজ্য উদ্ভিজ্জ তেল এবং চর্বি; গুঁড়া দুধ; বিভিন্ন কার্বোহাইড্রেট যেমন সুক্রোজ, ডেক্সট্রোজ, ডেক্সট্রিন, মাল্টোজ ডেক্সট্রিন, ল্যাকটোজ, মধু, কর্ন সিরাপ; মল্ট, তরল গ্লুকোজ।
    •       ফলের রস, শাঁস, ঘনত্ব, চিনি, পানীয়ের বেস কনসেন্ট্রেট। 
    •       খাদ্যে সংযুক্ত করার উপাদান – এমুলসিফায়ার, পিএইচ সমন্বয়কারী এজেন্ট, পটাসিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট, অ্যান্টি অক্সিডেন্টস, এনজাইম, খামির এজেন্ট, রঙ, স্বাদ, অম্লতা নিয়ন্ত্রক, ডিহাইড্রেটেড পণ্য।

About the Author